শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন-সিংড়া উপজেলার, ৭নং লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সময়ের জন প্রিয় সমাজ সেবক, হাজী মোঃ একরামুল হক শুভ।
শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে, মাননীয় প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব এডঃ জুনাইদ আহমেদ পলক এম,পি'র পক্ষ থেকে ও লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে উপস্থিত সবাইকে শুভেচ্ছা জানান হাজী মোঃ একরামুল হক শুভ।
লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সময়ের জন প্রিয় রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক, হাজী মোঃ একরামুল হক শুভ।
লালোর ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডের প্রতিটি পূজামণ্ডপে সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমেও শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্ট দেন।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন ৭নং লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সকল অঙ্গসংগঠনের নেতা ও কর্মীরা, শারদীয় দুর্গা উৎসবের সফলতা প্রত্যাশা করেন ৭নং লালোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ হাজী মোঃ একরামুল হক শুভ।
দুর্গা পূজা উপলক্ষে, লালোর ইউনিয়নের ঢাকঢোর ৩নং ওয়ার্ড রাকসা রাঁধা গোবিন্দ পূজা মন্ডপ, পূজা উদযাপন কমিটির প্রধানরাও সমগ্র সিংড়া উপজেলার সকল হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে, শুভেচ্ছা বানীতে বলেন, আজ (০৯ কার্তিক মহা-নবমী ও ১০ কার্তিক বিজয় দশমী) শারদীয় দুর্গোৎসব সমাপ্তিতে।
সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তিপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। এ উৎসব শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য নয়; বরং জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের জাতীয় ঐক্য চেতনায় এটি একটি মহামিলনোৎসব।
হাজী মোঃ একরামুল হক শুভ, শুভেচ্ছা বানী কালে বলেন, “সিংড়া উপজেলার জনপদের গর্ব, শান্তি, সম্প্রতি ও উন্নয়নের রূপকার নন্দিত জননেতা মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, আলহাজ্ব এডঃ জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি মহাদয়ের” পক্ষ থেকে লালোর ইউনিয়ন বাসীসহ সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যমে পরিচিত সবাইকে জানায় শারদীয় শুভেচ্ছা ও আন্তরিক অভিনন্দন।
অতঃপর তিনি মাননীয় প্রতিমুন্ত্রী আলহাজ্ব এডঃ, জুনাইদ আহমেদ পলক এমপির পক্ষ থেকে আরো বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে আবহমানকাল থেকে একসঙ্গে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মিলেমিশে বসবাস করে আসছে।
বিশ্বে এ এক অনন্য ইতিহাস। যে দেশে, যে ভূখণ্ডে একসঙ্গে নানা জাতি, নানা বর্ণের লোক এবং নানা ধর্ম-সংস্কৃতির লোকের বসবাস- সেটাই আমাদের আসল পরিচয়।
তাই তো প্রাচীনকাল থেকে আমরা পারস্পরিক সম্প্রীতির মেলবন্ধনে আবদ্ধ আছি। বাংলাদেশ ধর্ম-বর্ণ-নির্বিশেষে সকল মানুষের নিরাপদ আবাসভূমি। ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার’ এ আপ্ত বাক্যে উজ্জীবিত হয়ে আমরা সবাই একসঙ্গে উৎসব পালন করব।
‘আমাদের সংবিধানে সকল ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমানাধিকার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। আমি আশা করি, আবহমান বাঙালি হাজার বছরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিতে ঋদ্ধ অসাম্প্রদায়িক চেতনা, পারস্পরিক ঐক্য, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়ন করা সক্ষম হবে।
সকল সাম্প্রদায়িক ভেদাভেদ ভুলে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টান তথা সকল ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষ সকলেই এই উৎসবে সামিল হই। এর মাধ্যমে সকল ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরো সুুদৃঢ় হবে। অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ার অঙ্গিকার নিয়ে একে অপরের পাশে দাঁড়াই।
সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সিংড়া উপজেলার আনন্দ উৎসাহের মধ্যদিয়ে এ উৎসবকে আরো আনন্দময় করে তুলবে বলে আমার প্রত্যাশা। শারদ উৎসবে সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করি।





No comments