দুই সিটিতেই নৌকার বিজয়


 কিছু কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ তুলেন জাপার মেয়র প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস। তিনি বলেন, ভোট শুরুর আগেই আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের কর্মীরা বিভিন্ন কেন্দ্রে পোলিং এজেন্টদের ঢুকতে বাধা দেয়। এছাড়া কিছু কেন্দ্রে টেবিল ঘড়ি প্রতীকের এজেন্টদের হয়রানি করা হয় বলেও অভিযোগ করেন মেয়র পদের স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল আহসান রুপন।


এদিকে খুলনা সিটিতে শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। যদি ভোট চলাকালে জাপা ও ইসলামী আন্দোলনের মেয়র প্রার্থীরা গণমাধ্যমে নানা অভিযোগ জানান। খুলনা সিটির জাপার মেয়র প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মধু বলেন, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনকে (ইভিএম) জাদুর বাক্স । ভোটের কোনও সুষ্ঠু পরিবেশ নেই। অন্য প্রার্থীর সমর্থকদের কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দিচ্ছে না। অথচ নৌকার হলে তাকে প্রবেশ করতে দিচ্ছে। আমি এখনও বলি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কিনা সন্দেহ। সোমবার সকাল পৌনে ১১টার দিকে নগরীর ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের খুলনা কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে ভোট প্রদান শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকেও বলেছি ইভিএম হচ্ছে একটি জাদুর বাক্স। আমি কয়েকটা কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করেছি, সেখানে ইভিএম মেশিন নষ্ট হয়েছে। পল্লীমঙ্গল ও ১০ নম্বর ওয়ার্ডের নয়াবাটিতে মেশিনে সমস্যা দেখা দিয়েছে। যারা দায়িত্ব পালন করছেন তাদের কাছে জিজ্ঞাসা করলে তারা বলেছেন, মেশিনে ডিস্টার্ব দিয়েছে। দুই ঘণ্টা হয়ে গেলেও ভোট কাস্ট হয়েছে ৩০টি। দুই ঘণ্টায় যদি ৩০টি ভোট হয় তাহলে ভোটের সংখ্যা কমে। আমার সন্দেহ হচ্ছে এখানে কোনও কারচুপি আছে কিনা।

খুলনা সিটিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন পাঁচ জন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের তালুকদার আব্দুল খালেক, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের শফিকুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল আউয়াল, জাকের পার্টির গোলাপফুল প্রতীকের এসএম সাব্বির হোসেন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী দেয়ালঘড়ি প্রতীকের এসএম শফিকুর রহমান মুশফিক। এ ছাড়া ৩১টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৩৬ জন ও ১০টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ৩৯ জন কাউন্সিলর প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। যার মধ্যে নগরীর ১৩ ও ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে দুই জন কাউন্সিলর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

তবে ভোট চলাকালে খুলনার ভোটাররা গণমাধ্যমকে জানান, ইভিএমে ভোট দিতে বেশি সময় লাগে। এতে ভোটারদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। তবে প্রিজাইডিং অফিসাররা বলেন, ভোটের গতি ছিল স্বাভাবিক। খুলনায় ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩৫ হাজার ৫২৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ৬৮ হাজার ৮৩৩ জন এবং নারী ২ লাখ ৬৬ হাজার ৬৯৬ জন।

No comments

Powered by Blogger.