ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে বেড়েছে লালপুরে কামারদের ব্যস্ততা।
লালপুর ( নাটোর) প্রতিনিধি!
আগামী ২৯ জুন পবিত্র ঈদ উল আজহা। ঈদ উল আজহাকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন নাটোরের লালপুরে স্থানীয় কামাররা। এখন কামারপল্লী লোহা বাড়ানোর টুংটাং শব্দে মুখরিত।
কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটার জন্য তৈরি করা হচ্ছে ছুরি, চাপাতি, দা, বঁটিসহ নানাবিধ সরঞ্জাম।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, লালপুর বাজার, বিলমাড়ীয়া, দুড়দুড়ীয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় পশু কোরবানি ও মাংস কাটার সরঞ্জাম তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার ্যকরছেন কামাররা। অনেকেই পশু কোরবানির জন্য নতুন করে দা, ছুরি, চাপাতি তৈরি করছেন। কেউ কেউ পুরোনো সরঞ্জামে শান বা লবণ-পানি দেওয়ার কাজ করছেন।
লালপুরে এলাকায় কামারের দোকানে ভিড় জমিয়েছে লোকজন। দুড়দুড়ীয়া এলাকার কামার শ্যামল দাশ বলেন, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এখন কাজেব ব্যস্ততা বেড়েছে দম ফেলানোর সময় পাচ্ছে না। তবে কয়লা আর কাঁচামালের দাম এবার বেশি। ঈদের আগে যদি ঠিকমতো কাজ করতে পারি তা হলে গতবছরের চেয়ে এবার বেশি কাজ করতে পারবো।
ভেল্লাবাড়ীয়া বাজারের সঞ্জয় কুমার বলেন, দুই বছর ধরে করোনার জন্য কাজ করতে পারিনি। এবার ঈদের এক মাস আগে থেকেই দোকানে ভিড় জমেছে । কিন্তু কয়লার দাম ও কাচামালের দাম বেশি হওয়াই বটি ছুবি দা তৈরি র খরচ বেশী। তাই আমাদের বেচা- কেনা একটু কম হচ্ছে।
সুজিত চন্দ্র দাশ জানান, ছুরি ৩০০ থেকে ৫০০ টাকা, দা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা, হাড় কোপানোর চাপাতি ৭০০ থেকে ৯০০ টাকা। তবে লোহার আকৃতিও ওজনের কারণে এর দাম কম বেশি হয়ে থাকে। এছাড়া পুরোনো দা, বটি, ছুরি শান দিতে বা লবণ-পানি দিতে ৫০ টাকা থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়ে থাকে। নতুন আধুনিক অনেক সরঞ্জাম বাজারে আসাতে আমাদের ক্রেতা আগের থেকে এখন অনেক কমে গেছে। সর্বোপরি কামারপাড়ায় এখন দা ছুরি বটি তৈরি করার মানুষ ভিড় জমাচ্ছে। কামার পাড়া এখন লোহা ভাড়ানো টুং টাং শব্দে মুখরিত।




No comments